ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরজ শেঠকে নেপাল সেনাবাহিনীর সম্মানসূচক জেনারেল পদমর্যাদা প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর শীতল নিবাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দেশটির প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পৌডেল ভারতীয় সেনাপ্রধানকে এ সম্মাননা প্রদান করেন।
ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরজ শেঠকে নেপাল সেনাবাহিনীর সম্মানসূচক জেনারেল পদমর্যাদা প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর শীতল নিবাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দেশটির প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পৌডেল ভারতীয় সেনাপ্রধানকে এ সম্মাননা প্রদান করেন।দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে দীর্ঘদিনের পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতার ধারাবাহিকতায় এ সম্মাননা দেওয়া হয়। ১৯৫০ সাল থেকে ভারত ও নেপালের সেনাপ্রধানদের একে অপরকে সম্মানসূচক জেনারেল পদমর্যাদা দেওয়ার ঐতিহ্য চলে আসছে।
চার দিনের সফরে নেপালে থাকা জেনারেল ধীরজ শেঠ দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল অশোক রাজ সিগদেলের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং সামরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পৌডেলের সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাম সাহায় প্রসাদ যাদব, পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল, নেপালে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত নবীন শ্রীবাস্তবসহ নেপাল সরকার ও সেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জেনারেল শেঠ রোববার নেপালে পৌঁছান।
ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, জেনারেল শেঠের নেপাল সফর দুই দেশের দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা সম্পর্কের গুরুত্বকে আবারও তুলে ধরেছে। পারস্পরিক আস্থা, অভিন্ন মূল্যবোধ এবং দীর্ঘদিনের সেনাবাহিনী-টু-সেনাবাহিনী সহযোগিতার ভিত্তিতে ভারত-নেপাল প্রতিরক্ষা সম্পর্ক গড়ে উঠেছে বলেও জানানো হয়।সফরের অংশ হিসেবে জেনারেল শেঠ ভারতীয় দূতাবাসে রাষ্ট্রদূত নবীন শ্রীবাস্তবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানে ভারত ও নেপালের সামগ্রিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
এ ছাড়া সোমবার নেপাল সেনাবাহিনীর কাছে সামরিক ও চিকিৎসা সরঞ্জাম হস্তান্তর করেন ভারতীয় সেনাপ্রধান। পরে তিনি নেপাল সেনা সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন এবং সেখানে আয়োজিত গার্ড অব অনার পরিদর্শন করেন।নেপাল সেনাবাহিনী জানিয়েছে, জেনারেল ধীরজ শেঠের এই সফর দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।